Posts

Featured Post

Are You in Loss in Trading? Contact Us From Anywhere in The World For Loss Recovery by Account Management.

Image
Investing yours, Profit from ours. Are You in Loss in Trading? Contact Us from Anywhere in The World for Loss Recovery by Account Management in only 24 hours. Client from India, Pakistan, Europe, UK, USA, Australia, New Zealand, China, Japan, South Korea, Taiwan are preferred. Got loss of your capital? Don't Worry. We are here to help you. Broker: XM, Quotex (Qx), Binance Small Investors Don't worry, we will accept all accounts. We accept all accounts from $30 to $50,000 Contact Us on Telegram username @tslorthy

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ন্যায়বিচার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম বড় আকাঙ্খা ছিল ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। আমরা অনেকেই হাসিনা কিংবা আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ আসলে উত্তেজিত এবং হিংস্র হয়ে যাই। এ ব্যাপারটা বিএনপির, জামায়াতের, এনসিপিরসহ অধিকাংশ সাধারণ জনগণের আছে। আমরা প্রায়ই বলি "ওরা শুধু দেশে আসুক, জেলে যাওয়ার আগেই যা করার তা করে ফেলবো। কোনো আইন মানবো না।" এ রাগ ও ক্ষোভ সম্পূর্ণ যৌক্তিকও। কিন্তু গণহত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিচার না করলে কি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে? এতে করে জুলাইয়ের আকাঙ্খা কি পূরণ হবে? না। তাই আমার মনে হয় আইনের শাসনের মাধ্যমে এদেরকে ডিল করাটাই বেটার। আমরাও যদি ওদের মতো অমানুষ হয়ে যাই তাহলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বাকস্বাধীনতা বলতে কী বুঝায়?

আমি মনে করি না বাকস্বাধীনতা বলতে আমরা ভুল বুঝি। যেটা আসলে বুঝি না এবং বোঝা দরকার তা হলো বাকস্বাধীনতা হচ্ছে একটি দু'মুখো তলোয়ার। কোনো কিছুর সমালোচনা করার অধিকার থাকা যদি বাকস্বাধীনতা হয় তবে সেই একই নিয়মে কোনো কিছুর বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচারের অধিকারও বাকস্বাধীনতার আওতায় পড়ে। কেউ বলতে পারেন এটা বাকস্বাধীনতার অপপ্রয়োগ, কিন্তু বাকস্বাধীনতার অপপ্রয়োগ বলে কিছু হয় না। বাকস্বাধীনতা হয় আছে, নয়তো নেই। নিয়ন্ত্রিত বাকস্বাধীনতা বলে কিছু হয় না। প্রকৃত অর্থে বাকস্বাধীনতা পৃথিবীর কোনো সমাজেই নেই, ব্যাপারটা স্রেফ সীমারেখার। কোথাও এই সীমারেখা টানা হয়েছে ধর্মের নামে, কোথাও মানবিকতার নামে, কোথাও রাষ্ট্রের নামে। পার্থক্য শুধুমাত্র আমরা কোনটায় বিশ্বাসী তাতে। আর জটিলতার সূত্রপাতও এখান থেকেই, কারণ সীমারেখা ঠিক কোথায় টানতে হবে তা নিয়ে নানা মত থাকবে, বিরোধও থাকবে। এই কারণেই বাকস্বাধীনতার বিষয়টি এতো জটিল ও সংবেদনশীল। একজনের কাছে যা বাকস্বাধীনতা, অন্যের কাছে সেটাই হয়ে ওঠে বিদ্বেষমূলক প্ররোচনা। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত যদি দিতে হয় তবে বলবো, একটি আদর্শ সমাজে কোনো কিছুই সমালোচনার ঊর্ধ্বে থাকা উচিত নয় আবার কোনো...

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ!

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ! ৫০ বছর পরে যদি মেসির মতো কাউরে বানাইতে পারে তাইলে কিছুটা সম্ভাবনা থাকতেও পারে! 😝 মেসিরেও তো ওরা ফুটবলার বানায় নাই, বানাইছিলো বার্সেলোনা, মানে ওদের দ্বিতীয় বাপ স্পেন। 😎 নিজেরা খালি একটা টাইব্রেকারের বিশ্বকাপ কোনোমতে পাইছিল ২০২২ সালে! এইটাই অর্জন! আবার কয় এদের নাকি পাওয়ার কিছু নাই! টাইব্রেকার ছাড়া জীবনে পাইছোই কি তোমরা! 😂

বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনা

সকল বিতর্কের শেষে আমার কাছে এটা ভেবে ভালো লাগতেছে যে ফুটবলের জয় হয়েছে এবং পরবর্তী বিশ্বকাপেও একই ধরনের উন্মাদনা বজায় থাকবে। এটা জরুরি ছিল। তবে বাংলাদেশে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে এবারের বিশ্বকাপে। আজকেও সাতক্ষীরায় একজন আর্জেন্টিনার সাপোর্টার নিজের জীবন নিয়ে নিল দল হেরেছে বলে! পুরো বিশ্বকাপ মাসে প্রায় ১৫ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এগুলো মাত্রাতিরিক্ত! বিনোদনকে শুধুমাত্র বিনোদন হিসেবে নিতে না পারলে সে বিনোদনের কোনো দরকার নাই তো। আগে জীবন, পরে বিনোদন। এদের কাউন্সিলিং পরিবার, সমাজ সবাই মিলেই করতে পারে চাইলে। মনস্তাত্ত্বিকভাবে সবাইকে বুঝাতে হবে যে এটা আসলেই সিরিয়াস কোনো ইস্যু না!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তৃতীয় বিশ্বের দেশ

বাংলাদেশে রাস্তায় বের হয়ে আপনি ১০০ জন মানুষের চেহারা একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন এদের মধ্যে বেশিরভাগই কোনো না কোনো টেনশনে আছে। যারা দিনমজুর, যেমন রিকশাওয়ালাদের আচার আচরণ দেখবেন সবসময়ই একটু উগ্র থাকে, অন্য রিকশাওয়ালাদের গালিগালাজ করে ছোটখাটো কারণে। এরা নিজেরাও হয়তো বলতে পারবে না যে শেষ কবে এরা মন থেকে প্রাণ খুলে হাসছিল! দোষ এদের না, বিশ্ব ব্যবস্থার। উন্নত দেশগুলোর মানুষদের দেখবেন সবাই সবসময় হাসিখুশি চিলে থাকে, ওদের চেহারা দেখলেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। এই সবকিছুর পেছনের কারণ বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এই সিস্টেমটাই এমনভাবে তৈরি করছে যেন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিজের সাথে লড়াই করে বাঁচতে হয়। আসলে "তৃতীয় বিশ্বের দেশ" বলতেও কিছু নাই, এটাও বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার একটা জঘন্যতম টার্ম। আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে বললাম। দেখেন, আপনাদের বুঝাইতে হইলেও আমার ওদের টার্ম ব্যবহার করা লাগে! কোনদিক থেকে আমাদের কব্জা করে নাই এরা! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কখনো টাকার অভাব পড়বে না, যত যুদ্ধই করুক। কারণ পুরো পৃথিবীর টাকার খনি এদের কাছ...

গণঅভ্যুত্থান কিভাবে হয়?

কথায় কথায় গণঅভ্যুথান করবো, এই করবো সেই করবো; এ ধরণের সব কথা ফালতু এবং অবাস্তব। এ বিষয়গুলো এত সহজ না। গণতান্ত্রিক দেশে একটা বা দুইটা দল তার নেতাকর্মীদের প্রভাবিত করার জন্য শুনতে ভালো লাগে এরকম শ্রুতিমধুর বক্তব্য দিতেই পারেন। তবে এর জন্য জনগণের সাপোর্ট লাগে। অনেক বছরের নির্যাতন, বৈষম্যের ইতিহাস ও বিশাল প্রেক্ষাপট লাগে যেগুলো থেকে মানুষ ধীরে ধীরে ক্ষোভে ফুঁসে উঠবে। যেটা ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টে হয়েছিল। কিন্তু কেউ চাইলেই বর্তমানে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান করতে পারবে না। বছরে বছরে গণঅভ্যুত্থান হয় না কখনো। বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার, মাত্র কিছুদিন আগেই জনগণ নির্বাচিত করেছে। আর সরকার এখন পর্যন্ত সংযমের সাথে যথেষ্ট ভালো পারফরম্যান্স করে যাচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে আলোচনা-সমালোচনা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটাই গণতন্ত্র। কিন্তু এই যে গণঅভ্যুত্থানের হুমকি, এসব বোকামি। তারপরও স্বাধীন দেশ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আবার চালু হয়েছে, চাইলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। জনাব আন্দালিব রহমান পার্থ যেটা বলেছিলেন ৩০০ রান উনারা (বিএনপি এবং সঙ্গীরা) করে দিয়েছেন, সেই ৩০০ রান করার মতো কেউ নাই বর্তমানে। আর ৩০০ র...

২০২৬ সালের নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে কি গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব করা সম্ভব?

 শাহবাগ অবরোধ করে, টিএসসিতে গলা ফাটাইয়া গণঅভ্যুত্থান করা গেলে প্রতি মাসে একটা কইরা গণঅভ্যুত্থান হইতো বাংলাদেশে। আমি তো কিছুদিন আগেও বললাম যে কেউ পারলে এই দেশে গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব করে দেখাক এখন। যে কোনো দলের যে কোনো ব্যক্তি হইতে পারে। আমরা সাদা চোখে যা দেখি তার ১০% ও এখানে কাজ করে না। এখানে অনেক দেশি-বিদেশি শক্তি থাকে যাদেরকে হয়তো আমরা চিনিই না। তারা দীর্ঘদিন যাবত পরিকল্পনা করে, তার উপর বেশিরভাগ জনগণের সমর্থন তো থাকা লাগবেই। নির্যাতন-নিপীড়ন, অত্যাচার-জুলুম, বৈষম্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা লাগে যার মাধ্যমে একটা প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এসব কোন অভিযোগই গুরুতরভাবে নাই। তার উপর এইটা হাসিনার শেষ ৩ টা সরকারের মতো জোর কইরা ক্ষমতা দখল করে নাই বা উইড়া আইসা সিটে বসে নাই। বাংলাদেশের জনগণই নির্বাচিত করছে, তা-ও মাত্র কয়েক মাস হইছে। শোনেন প্রিয় জামায়াত-শিবির অথবা পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় ক্ষোভ দিয়া দেশ নিজের মতো কইরা বদলানো যায় না। সরকারকেও কিছু করা যায় না। পাবলিককে নিজেদের কাছে টানতে জানতে হয়। মানুষের মনে জায়গা ক...

বাংলাদেশীরা ঐতিহাসিকভাবে বিদ্রোহী

"বাঙালিরা কিছু করতে পারে না। গণতান্ত্রিক সভ্যতা পিকে উঠার পেছনে সবকিছু গ্রীক, ফ্রেঞ্চ, তুর্কী আর ইউরোপীয়ানরা করেছে।" এটা ভুল ধারণা। আনুমানিক ৮০০-৯০০ বছর আগে আমাদের এ অঞ্চলের নাম ছিল বুলগাকপুর। বুলগাকপুর মানে হচ্ছে 'বিদ্রোহের শহর বা নগরী"। এ নাম দেওয়া হয়েছিল কারণ তখন এ অঞ্চলের মানুষ কথায় কথায় দিল্লীর শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসতো। ওরা তখন থেকেই দিল্লীর শোষণ আর তাবেদারি মানতো না। আমাদের পূর্বপুরুষরা অনেক আগে থেকেই বিদ্রোহী।আর রিসেন্ট টাইমে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান ভাগ হওয়ার পর দেখেন ২০-২৫ বছর পর পর কিন্তু গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব হয়েছে এ অঞ্চলেই। স্বাধীন বাংলাদেশেই একবার বিপ্লব এবং দুইবার গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ কিছু না বুঝলে এগুলো হতো না। অধিকার সম্পর্কে এদের যথেষ্ট ধারণা আছে। কিন্তু সমস্যা একটা জায়গাতেই। আমরা ভালোভাবে ভাঙতে তো পারি কিন্তু গড়ার সময় আমরা কেন যেন বারবার আলাদা হয়ে যাই এবং এক হয়ে থাকতে পারি না, কাছাকাছি পর্যায়ের মানসিকতা নিয়ে থাকতে পারি না। ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে আবার কোনো এক সময় বিদ্রোহ করতে হয়। তবে এবার আমি অন্তত আশাবাদী যে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে...

হাসনাত আব্দুল্লাহ ও এনসিপির রাজনৈতিক অপরিপক্কতা

হাসনাত কি প্রমাণ দিতে পারবে যে বিএনপির রাজনীতি আওয়ামী লীগের টাকায় চলে? না, পারবে না। তাইলে সে কি জানতো না যে এটা বলার পরবর্তী প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে? অবশ্যই জানতো। তারপরও সে বললো কেন? কে বা কারা তাকে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলতে উৎসাহিত করছে? প্যাঁচ লাগানোর পরে ঠ্যালা খাইয়া এখন আবার 'ঐক্য’ এর কথা বলতেছে। এই পুরা ঘটনায় তো লস ওদের নিজেদেরই হইছে। এরকম অপরিপক্ক আচরণ করলে ভবিষ্যতে এরা আরও পস্তাবে। বুদ্ধি বেশি, আক্কেল কম হইলে যা হয় আরকি।

বাংলা গানের একাল-সেকাল

আগে বাংলা গানে লেখকরা তার গার্লফ্রেন্ড কিংবা বউকে চাঁদ, নদী, পাহাড়, সমুদ্রের সাথে তুলনা করতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পারতো না। যেমন: "তুমি চাঁদের জোছনা নও, তুমি ফুলের উপমা নও, নও কোন পাহাড়ি ঝর্ণা" কিংবা "চাঁদ, তারা, সূর্য নও তুমি; নও পাহাড়ি ঝর্ণা" এখানে উনারা চাইছিল তুলনাটা করতে কিন্তু তাদের নারীদের ভয়ে পারে নাই। 😋 আর এখন ডিজিটাল যুগে তুলনা তো করেই, বরং তুলনাটা আর চাঁদ, পাহাড়, সমুদ্র এমনকি পৃথিবীর মধ্যেও সীমাবদ্ধ নেই। তুলনা করতে গিয়ে মহাবিশ্বে চলে গেছে লেখকরা। যেমন: "তুমি আমার আঁধার রাতের একশ তারার মেলা" লাইনটার গভীরতা কিন্তু অনেক। যুগ আসলেই অনেক আগাইছে। 😝 মহাবিশ্বের পর লেখকরা কই যায় সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। 😂

সুশীলরাই দেশ গঠনের কারীগর

শিক্ষিত আর সুশীলরাই যে কোনো দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখে। কোনো চোর, ডাকাত, টোকাই, চাঁদাবাজ দেশের কাজে আসে না। বরং এদের দ্বারা দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলিটরাই রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক হয়। এলিটরা আজকে যা চিন্তা করে, চোরেরা তা চিন্তা করতে পারবে ১০ বছর পর। তাই 'শিক্ষিত' কিংবা 'সুশীল' বলে কাউকে গালি দেওয়ার আগে চিন্তা করে নিতে হবে। চব্বিশে শিক্ষিত আর সুশীলরা বিরোধিতা শুরু করেছিল বলেই সরকার পতন সম্ভব হয়েছে। এর আগে বহুত চোর আর চাঁদাবাজ বহুত আন্দোলন করছে, পারে নাই। পরিস্থিতি না বুঝে রাস্তায় মারামারি করাকে 'রাজনীতি' বলে না প্রিয় রাজনীতিবিদগণ।

বাংলাদেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যম

পৃথিবীর প্রতিটা সরকার জনগণের কাছ থেকে কিছু না কিছু লুকায়। গণমাধ্যম আর সাংবাদিকদের কাজ সেগুলো খুঁজে বের করা। সে হিসেবে গণমাধ্যমের সাথে সরকারের সম্পর্ক হওয়া উচিত সাংঘর্ষিক। কিন্তু বাংলাদেশে বিষয়টা পুরোপুরি উল্টো। এখানে সরকারের সাথে সাংবাদিক আর গণমাধ্যমের সম্পর্ক থাকে বন্ধুর মতো। বিগত হাসিনা স্বৈরাচার তৈরির দায়ও বাংলাদেশের 'বেশিরভাগ' সাংবাদিক কিংবা গণমাধ্যমগুলো এড়াতে পারবে না। হাসিনা সরকারের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা নেওয়া, প্লট নেওয়া, অর্থ নেওয়া কয়জন গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে? পূর্বাচল, কচুক্ষেতে প্লট পাওয়াদের বেশিরভাগই তো স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে।

জুলাই আন্দোলন পরবর্তী বাংলাদেশ

প্রশ্ন ছিল "ফুলগুলো সব লাল হলো কেন?" মানসিকতা ছিল "পরে যা হবার হবে, আগে তুই গদি ছাড়।" তারপর স্লোগান হলো "বিকল্প কে? আমি, তুমি, আমরা।" মাথায় তখন একটা জিনিসই কাজ করছিল, ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। প্রতিষ্ঠিত করা তো দূরের কথা, কোথায় ন্যায়বিচার? সবাই পড়ে আছে তথাকথিত 'সংস্কার' এর মূলা নিয়া, আর 'নির্বাচন' নিয়া। অথচ সবার আগে হওয়া উচিত ছিল 'বিচার'।

রাজনীতিতে মার্কিন অ্যাম্বাসি কেন সেইফ?

জুলাই আন্দোলন চলাকালীন গ্রেফতার আর গুমের ভয়ে আসিফ মাহমুদরা মার্কিন অ্যাম্বাসিতে যোগাযোগ করে কেন আশ্রয় খুঁজছিল? বাংলাদেশে এত জায়গা থাকতে মার্কিন অ্যাম্বাসিকেই কেন তাদের সেইফ মনে হয়েছিল? ওদের সাথে আসিফদের সম্পর্ক কিভাবে হলো? আমরা তো জানতাম এরা কেবল সাধারণ শিক্ষার্থী! বিস্ময়কর বিষয় হলো এগুলো সে নিজেই স্বীকার করছে অথচ কেউ তাকে আজ পর্যন্ত এই প্রশ্ন করে নাই!